Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

হরমুজে দুই তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ পিএম

হরমুজে দুই তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

হরমুজ প্রণালিতে পৃথক দুটি ঘটনায় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ও একটি টাগবোটে আগুন লেগেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, অনুমোদনহীন পথে চলাচলের চেষ্টা করায় এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালির দক্ষিণ দিক দিয়ে ‘অননুমোদিত পথে’ যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সেটি একটি মাইনের আঘাতে পড়ে। এতে ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় এবং সেটি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পৃথক আরেকটি ঘটনায় হরমুজ প্রণালির পূর্ব অংশ দিয়ে চলাচলের সময় আরেকটি সুপারট্যাংকারে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসা একটি টাগবোটেও আগুন ধরে যায়।

এদিকে, আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীর ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিট অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত দুটি ‘লুকাস-টাইপ’ উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আইআরজিসি আরও অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র জাহাজগুলোকে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাইন পাতা পথে চলাচলে উৎসাহিত করছে। এর ফলে জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি হলে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের বিপুল পরিমাণ বিমা ব্যয় বহন করতে হবে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড সতর্ক করে বলেছে, প্রণালিতে চলাচলের নিয়ম লঙ্ঘনের যেকোনো চেষ্টা ওয়াশিংটনের জন্য আরও আর্থিক ক্ষতি ও রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত এই নৌপথ দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। পরে এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থমকে যাওয়ায় জুলাইয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আবারও সংঘাত শুরু হয়।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন