Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

তেহরান থেকে কোমে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম

তেহরান থেকে কোমে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ পবিত্র নগরী কোমে নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সেখানে একটি জানাজা ও শোকযাত্রা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খামেনির মরদেহ বহনকারী একটি হেলিকপ্টার রাজধানী তেহরানের দক্ষিণের ওই শহরে অবতরণ করছে। আল জাজিরা এমনটি জানিয়েছে।

এর আগে, সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে গতকাল সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর রাজপথে নামেন বিপুল সংখ্যক ইরানি নাগরিক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় খামেনিসহ তার পরিবারের চার সদস্য প্রাণ হারান। তাদের মরদেহ বহনকারী ট্রাকটি অগণিত মানুষের ভিড় ঠেলে ধীরে ধীরে শহরের পশ্চিমে অবস্থিত আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে তেহরানের প্রধান সড়কগুলোতে জনসমুদ্র দেখা যায়। খবরে বলা হয়, এই জমায়েত ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ঐতিহাসিক জানাজার মতোই বিশাল ছিল।

কালো পোশাক পরিহিত শোকাতুর জনতা কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনির একটি ছোট কফিনও ছিল।

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামিদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল ইরানকে বিভক্ত করা। কিন্তু আমাদের নেতা সেই বিভাজন রুখে দিয়েছেন। ইরানিরা আজ এখানে এসেছে দেশের জন্য তার অবদানকে সম্মান জানাতে।

মারজিয়া নামে আরেক নারী বলেন, তিনি প্রায় ৪০ বছর ইরান শাসন করা খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা বলতে এসেছি যে তার রক্ত বৃথা যাবে না। আমরা এখানে এসেছি তার প্রতি আমাদের আনুগত্য পুনরায় প্রকাশ করতে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ ইসলামি মনে করেন, যুদ্ধ এখনো সমাপ্ত না হওয়া এবং কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণেই তিনি বাবার জানাজায় যোগ দেননি।

তিনি বলেন, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল পক্ষের মধ্যে বর্তমানে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি ও কঠিন দরকষাকষি চলছে, যার ফলে মোজতবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।

তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র শহর কোম থেকে খামেনির মরদেহ ইরাকে শিয়াদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার জন্মস্থান উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে সমাহিত হবেন প্রয়াত এই সর্বোচ্চ নেতা।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন