খামেনির শোক অনুষ্ঠান
তেহরানের আকাশসীমা বন্ধ করল ইরান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোক অনুষ্ঠান ও জানাজায় সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার এড়াতে রাজধানী তেহরানের আকাশসীমা বন্ধ করেছে ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকার। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সরকারী বার্তাসংস্থা আইএসএনএ।
ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে আইএসএনএ জানিয়েছে, রোববার থেকে তেহরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে এবং খামেনির দাফনের আগ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে। তবে রাজধানী ব্যতীত দেশের সব অঞ্চলের আকাশসীমা খোলা থাকবে।
তেহরানে দু’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে— মেহরাবাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এবং ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। দু’টি বিমানবন্দরই বন্ধ করা হয়েছে ৪ জুন রোববার থেকে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল ৭ জুন শুধু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য মেহরাবাদ বিমানবন্দর আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলেও ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর বন্ধই থাকবে।
খামেনির মরদেহ দাফন করা হবে ৯ জুলাই, ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে। দাফনের দিন মাশহাদের শহীদ হাশেমনিজাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
তবে ৭ এবং ৮ জুলাই ইরানের অভ্যন্তরে ফ্লাইট চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তপক্ষ।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অভিযানের প্রথম দিনই তেহরানে স্ত্রী, পুত্রবধু এবং নাতনিসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যিনি টানা ৩৬ বছর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় খামেনির ছেলে এবং ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
খামেনি নিহত হওয়ার পর তার দেহ ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এবার তাকে দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রী সরকার। এ উপলক্ষে আজ ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৬ দিন রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে শোক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি



