শান্তি আলোচনার মাঝেই মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে সংঘাত নিরসনে আলোচনার কথা বললেও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতার ইঙ্গিত দিলেও বাস্তবে পেন্টাগন ব্যাপক সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্যকে রণক্ষেত্রে পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই সেনাদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ডিভিশন কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমেয়ার। সঙ্গে থাকছে ‘ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স’, যারা কয়েক ঘণ্টার নোটিশে বিশ্বের যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে সক্ষম।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই কমান্ডিং স্টাফ ও প্রথম ব্যাটালিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। ২০২০ সালে ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার পরও এই ডিভিশন মোতায়েন করেছিল ওয়াশিংটন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, শান্তি ফেরাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ১৫টি বিষয়ে একমত হয়েছে। ইরানও কিছুটা নমনীয় হয়ে টেকসই প্রস্তাব শোনার আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এর আড়ালে চলছে বিশাল সামরিক মুভমেন্ট।
শুধু প্যারাট্রুপার নয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ১১তম ও ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের মতো শক্তিশালী নৌবহরও মধ্যপ্রাচ্যের উপকূলে মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপে প্রায় সাড়ে চার হাজার নৌসেনা ও মেরিন রয়েছে, সঙ্গে যুদ্ধবিমান ও লজিস্টিক সাপোর্ট।
অর্থাৎ একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার বার্তা, অন্যদিকে হাজারো সৈন্য ও ভারী অস্ত্রশস্ত্রের সমাবেশ— যা প্রমাণ করছে ওয়াশিংটন শান্তির কথা বললেও যুদ্ধের প্রস্তুতি থেকে সরে আসছে না।



