এবার এপস্টেইন নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১১ এএম
ছবি : সংগৃহীত
জেফরি এপস্টেইনের যৌন পাচার মামলা সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ তদন্তের সমাপ্তি ঘোষণা করলেও বিষয়টি সহজে মিটে যাচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশবাসীকে এই বিতর্ক পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে কংগ্রেসের বিশেষ তদন্ত কমিটি ও ভুক্তভোগীদের অনড় অবস্থানের কারণে বিষয়টি হোয়াইট হাউসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, দীর্ঘ পর্যালোচনার পর নতুন মামলা করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিপুল ইমেল, ছবি ও নথি হাতে থাকলেও তা নতুন করে কাউকে অভিযুক্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়।
কিন্তু প্রতিনিধি সভা এতে সন্তুষ্ট নয়। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে তলব করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারিতে তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রকাশিত নথিতে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছু নেই। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, নথিতে ট্রাম্পের নাম ছয় হাজারেরও বেশি বার এসেছে। নব্বইয়ের দশকের পর সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল বলে ট্রাম্প দাবি করলেও ২০১১ সালের একটি ইমেল নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ওই ইমেলে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ট্রাম্পের বিষয়টি এখনো জনসমক্ষে আসেনি।
শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই নয়, এই নথির কারণে বিপাকে পড়েছেন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিত্বরা। বিল গেটস ও ইলন মাস্ককে তাদের নামের উপস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এবং ল্যারি সামারস ইতোমধ্যেই এপস্টেইন সংযোগের কারণে সামাজিক ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি



