Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

বঙ্গোপসাগরে নজরদারি বাড়াতে নৌঘাঁটি নির্মাণ করছে ভারত

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২৬ পিএম

বঙ্গোপসাগরে নজরদারি বাড়াতে নৌঘাঁটি নির্মাণ করছে ভারত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনের কার্যক্রম নজরে রাখতে পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া নদীতে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নৌবাহিনী। আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার ও বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক উপস্থিতি বাড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা সূত্র।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান চীনা নৌ তৎপরতা এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ঘিরে পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ঘাঁটিটিতে বিপুল সংখ্যক সৈন্য বা ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হবে না। এটি মূলত একটি নৌ ‘ডিটাচমেন্ট’ হিসেবে কাজ করবে, যেখানে ছোট যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন থাকবে এবং প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ঘাঁটিতে ফার্স্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট ও নিউ ওয়াটার জেট ফার্স্ট অ্যাটাক ক্রাফটের মতো ছোট যুদ্ধজাহাজ রাখা হবে। এছাড়া থাকবে CRN-91 গান এবং নাগাস্ত্রা সিস্টেম, যা নিখুঁত আঘাত হানা ও নজরদারি সক্ষমতা বাড়াবে। তবে জেটি নির্মাণের কাজ এখনো শুরু হয়নি, শিগগিরই তা সম্পন্ন হবে।

ভারতীয় নৌবাহিনী বিদ্যমান হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সকেও কাজে লাগাবে, ফলে অতিরিক্ত অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই দ্রুত ঘাঁটিটি কার্যকর করা সম্ভব হবে। প্রাথমিক কাজের মধ্যে থাকবে একটি নির্দিষ্ট জেটি ও তীরভিত্তিক সহায়ক স্থাপনা। কলকাতা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের তীরে হলদিয়ার অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে নৌবাহিনী।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে এ পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ—ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবাহিনীর বাড়তি উপস্থিতি, সামুদ্রিক অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ এবং বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে ভারতে অবৈধ প্রবেশের ঘটনা। তাদের মতে, সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি জোরদার করতে এই নৌঘাঁটি ভারতের নিরাপত্তা ভূমিকা আরও শক্তিশালী করবে।

তবে ঘাঁটির নাম এখনো নির্ধারণ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে ভারতের সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন