Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ট্রাম্পের, সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন আন্তর্জাতিক উত্তেজনা

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৩১ এএম

গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ট্রাম্পের, সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন আন্তর্জাতিক উত্তেজনা

গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের মালিক হতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে ‘সহজ পথ’ কিংবা ‘কঠিন পথ’ বেছে নেওয়ার কথাও বলেন ট্রাম্প, যা ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ট্রাম্প বলেন, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই প্রেক্ষাপটে গ্রিনল্যান্ডের ওপর সরাসরি মালিকানা ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার এই বক্তব্যকে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে ডেনমার্ক ও ইউরোপের মিত্ররা।

হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বক্তব্যে জানানো হয়েছে, ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত এই ভূখণ্ডটি কিনে নেওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। একই সঙ্গে জোরপূর্বক দখলের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয়েই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। ডেনিশ সরকার সতর্ক করে বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ন্যাটো জোটের ঐক্যই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও, উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, আর্কটিক অঞ্চলে নৌ চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং সামরিক নজরদারিতে এই দ্বীপের ভূমিকা অপরিসীম। ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে।

তবে ট্রাম্পের মতে, বিদ্যমান নিরাপত্তা চুক্তি যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, ‘৯ বছর বা ১০০ বছরের চুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, মালিকানাই আসল।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রিনল্যান্ড এলাকায় রুশ ও চীনা জাহাজের উপস্থিতি বেড়েছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের প্রধান দেশগুলো ও কানাডা। এক যৌথ অবস্থানে তারা জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের। আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানালেও তারা একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তের অখণ্ডতার নীতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন