Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলকে বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৮০০ মিলিয়ন ডলার

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৫, ১২:৪৪ পিএম

ইসরায়েলকে বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৮০০ মিলিয়ন ডলার

ছবি- সংগৃহীত

সম্প্রতি ইরানের ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে ইসরায়েলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ থাড প্রতিরক্ষা মজুত ব্যবহার করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মার্কিন সামরিক সূত্র ও বিভিন্ন বিশ্লেষকের বরাতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইতোমধ্যে নিউজউইকসহ একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

তেহরান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া টানা ১২ দিনের লড়াইয়ে ইরান ‘ট্রু প্রমিস থ্রি’ নামের একটি অভিযান শুরু করে। এর অংশ হিসেবে তারা ইসরায়েলের দখলকৃত বিভিন্ন ফিলিস্তিনি অঞ্চলে থাকা সামরিক ঘাঁটি, পরমাণু কেন্দ্র ও শিল্প স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এসব হামলায় ফাতাহ-১-এর মতো উন্নত হাইপারসনিক অস্ত্র ব্যবহৃত হয়।

তেল আবিব, হাইফা ও বেয়ের শেভার মতো ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ নগরীগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়, যেগুলো দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র, বন্দর এবং প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ মিলিয়ন ডলার। প্রতিবছর লকহিড মার্টিন সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করে। বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে ইরান বিভ্রান্তিমূলক কৌশল নেয়, যাতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে।

ইরানের একযোগে চালানো বহুমুখী আক্রমণের কারণে থাড এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেকক্ষেত্রেই নির্ধারিত লক্ষ্য ভেদে ব্যর্থ হয়। বিশেষত ১৮ জুনের হামলায় ইরান অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল ও তার মিত্রদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখে, ফলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়নি।

আরএস/

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন