হালান্ডের জোড়া গোলে মারেসকা যুগে জয়ে শুরু ম্যানসিটির
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমে নতুন কোচ এনজো মারেসকার অধীনে জয় দিয়ে শুভসূচনা করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তোর মাঠে গিয়ে তাদেরই ২-০ গোলে হারিয়ে এসেছে সিটিজেনরা। আর দলের এই জয় উদযাপনের মূল নায়ক বরাবরের মতোই সেই পুরোনো আর্লিং হালান্ড।
পেপ গার্দিওলার দীর্ঘ এক দশকের সফল অধ্যায় শেষে নতুন মৌসুমে সিটিজেনদের দায়িত্ব নেওয়া মারেসকার জন্য শুরুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়তে দেননি শিষ্যরা। প্রথমার্ধে পোর্তো গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা একাধিক দারুণ সেভ করে হালান্ডকে আটকে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর রক্ষা পাননি।
বিরতির ঠিক পরপরই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের নিখুঁত ক্রস থেকে চমৎকার হেডে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন আর্লিং হালান্ড। পিছিয়ে পড়ে পোর্তো সমতায় ফিরতে মরিয়া আক্রমণ চালালেও সিটির রক্ষণ এবং গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সতর্কতায় তা গোলরেখা অতিক্রম করতে পারেনি।
এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে স্বাগতিকদের ম্যাচে ফেরার সব আশা কার্যত শেষ করে দেন হালান্ড। এবার রায়ান আইত নুরির বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে ঠান্ডা মাথায় জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের ২-০ ব্যবধানের জয় সুনিশ্চিত করেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৫৯টিতে। একই সাথে সিটির ইতিহাসে ১৬৭ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ৩ নম্বরে উঠে এলেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে হলান্ড বলেন, ‘সবচেয়ে বড় মঞ্চে আমাদের ওপর চাপ থাকে। আমাদের কাজ ছিল সেটা সামলে নিজেদের দায়িত্ব পালন করা। আজ আমরা সেটাই করেছি। এই ম্যাচগুলো আপনাকে জিততেই হবে, না হলে হঠাৎ করে চাপ চলে আসে। তারপর কী হবে, কেউ জানে না।’



