পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের হয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছেন। তবে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের বিশ্বাস, এটিই রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ নয়। তার মতে, ২০৩০ সালেও বিশ্বকাপে খেলার সামর্থ্য থাকবে এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ডের।
২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হবে পর্তুগাল, স্পেন ও মরক্কো। সে সময় রোনালদোর বয়স হবে ৪৫ বছর। এত বয়সেও তাকে বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্প্যানিশ কোচ মার্তিনেজ বলেন, এ বিষয়ে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। রোনালদোর মধ্যে এখনও সেই মান ও সামর্থ্য রয়েছে।
২০০৩ সালে পর্তুগালের জার্সিতে অভিষেকের পর জাতীয় দলের হয়ে ২২৬ ম্যাচে ১৪৩ গোল করেছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ম্যাচ ও গোল দুই ক্ষেত্রেই তিনি দেশের সর্বকালের সেরা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা পাঁচটি আসরে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
মার্তিনেজ মনে করেন, পর্তুগালের তরুণ ফুটবলারদের জন্য রোনালদো একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। তার পেশাদারিত্ব, পরিশ্রম এবং আত্মনিবেদন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চান জাতীয় দলের কোচ।
সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলেও দারুণ ছন্দে রয়েছেন রোনালদো। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে চলতি মৌসুমে ২৮ গোল করে দলকে লিগ শিরোপা জিতিয়েছেন। ২০২২ সালে সৌদি প্রো লিগে যোগ দেওয়ার পর এটি তার প্রথম লিগ ট্রফি।
রোনালদোর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে তার অদম্য মানসিকতার কথা উল্লেখ করেন মার্তিনেজ। তিনি বলেন, অনেক তারকা ফুটবলার বড় কোনো শিরোপা জয়ের পর আগের মতো ক্ষুধা ধরে রাখতে পারেন না। কিন্তু রোনালদো ব্যতিক্রম। তিনি যত অর্জনই করুন না কেন, পরের দিন নিজেকে আরও উন্নত করার তাড়না তার মধ্যে একইভাবে কাজ করে।
আগামী ১৭ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৭ জুন কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। কে গ্রুপে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকবে মার্তিনেজের দলের।
পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের হয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছেন। তবে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের বিশ্বাস, এটিই রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ নয়। তার মতে, ২০৩০ সালেও বিশ্বকাপে খেলার সামর্থ্য থাকবে এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ডের।
২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হবে পর্তুগাল, স্পেন ও মরক্কো। সে সময় রোনালদোর বয়স হবে ৪৫ বছর। এত বয়সেও তাকে বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্প্যানিশ কোচ মার্তিনেজ বলেন, এ বিষয়ে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। রোনালদোর মধ্যে এখনও সেই মান ও সামর্থ্য রয়েছে।
২০০৩ সালে পর্তুগালের জার্সিতে অভিষেকের পর জাতীয় দলের হয়ে ২২৬ ম্যাচে ১৪৩ গোল করেছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ম্যাচ ও গোল দুই ক্ষেত্রেই তিনি দেশের সর্বকালের সেরা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা পাঁচটি আসরে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
মার্তিনেজ মনে করেন, পর্তুগালের তরুণ ফুটবলারদের জন্য রোনালদো একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। তার পেশাদারিত্ব, পরিশ্রম এবং আত্মনিবেদন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চান জাতীয় দলের কোচ।
সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলেও দারুণ ছন্দে রয়েছেন রোনালদো। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে চলতি মৌসুমে ২৮ গোল করে দলকে লিগ শিরোপা জিতিয়েছেন। ২০২২ সালে সৌদি প্রো লিগে যোগ দেওয়ার পর এটি তার প্রথম লিগ ট্রফি।
রোনালদোর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে তার অদম্য মানসিকতার কথা উল্লেখ করেন মার্তিনেজ। তিনি বলেন, অনেক তারকা ফুটবলার বড় কোনো শিরোপা জয়ের পর আগের মতো ক্ষুধা ধরে রাখতে পারেন না। কিন্তু রোনালদো ব্যতিক্রম। তিনি যত অর্জনই করুন না কেন, পরের দিন নিজেকে আরও উন্নত করার তাড়না তার মধ্যে একইভাবে কাজ করে।
আগামী ১৭ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৭ জুন কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। কে গ্রুপে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকবে মার্তিনেজের দলের।