১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর এই প্রত্যাবর্তনের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে চমক রেখেছেন কোচ হুগো ব্রস। বুধবার (২৭ মে) তিনি চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন।
একাধিক তরুণ ও নতুন মুখ জায়গা পেয়েছেন দলে। এছাড়া অভিজ্ঞদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৩৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার থেম্বা জওয়ানেকে রেখে মাঝমাঠে অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার ওপর আস্থা দেখিয়েছেন কোচ। ঘোষিত স্কোয়াডের ১৯ জন ফুটবলারই দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া লিগে খেলেন।
১১ জুন সহ-স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপ ‘এ’-তে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ কোরিয়া। ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে এবং ২৪ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে তারা।
৭৪ বছর বয়সী ব্রোস আগেই জানিয়েছেন, এটি তার কোচিং ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। দল ঘোষণার পর তিনি বলেন, বাদ পড়া ফুটবলারদের হতাশা তিনি বুঝতে পারেন, তবে দলের স্বার্থেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে—১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০ সালে। তবে প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে। ২০১০ এ ঘরের মাঠের আসরের পর এবার দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে সেই ব্যর্থতার ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল
গোলরক্ষক
রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো চেইন
ডিফেন্ডার
খুলিসো মুদাউ, অউব্রে মোদিবা, খুলুমানি এনদামানে, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, থাবাং মাতুলুদি, এনকোসিনাথি সিবিসি, কামোগেলো সেবেলেবেলে, ইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, এমবেকেজেলি এমবোকাজি
মিডফিল্ডার
তেবোহো মোকোয়েনা, জেডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্ফেফেলো সিথোলে
ফরোয়ার্ড
অসউইন অ্যাপোলিস, সেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, রেলেবোহিলে মোফোকেং, লাইল ফস্টার, ইকরাম রেইনার্স, থেম্বা জওয়ানে, থাপেলো মাসেকো



