১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ইরান। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও বৈশ্বিক আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ৩৪ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে ইরাক।
বিশ্বকাপ স্কোয়াডে মিডফিল্ডার আমির আল আমারি, উইঙ্গার আলী জসিমের সঙ্গে জায়গা পেয়েছেন বলিভিয়ার বিপক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে অফের জয়সূচক গোলদাতা আইমেন হুসেইন। ইনজুরির কারণে ওই ম্যাচ খেলতে না পারা অধিনায়ক জালাল হাসান দলে ফিরেছেন।
চমক হিসেবে দলে আছেন তিন নবাগত ফুটবলার। ফুলব্যাক দারিও নামো, জুসেফ নাসরাওয়ে ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আহমেদ কাসেম যথাক্রমে ফিনল্যান্ড, জার্মানি ও সুইডেনের যুব দলে খেললেও ইরাকের এই দলে ডাক পেয়েছেন।
বিশ্বকাপে বেশ কঠিন গ্রুপেই পড়েছে ইরাক। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ছাড়াও নরওয়ে ও সেনেগালের সঙ্গে লড়াই করবে তারা। আগামী ১৬ জুন বোস্টন স্টেডিয়ামে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে ইরাক। ২২ ও ২৬ জুন ফ্রান্স ও সেনেগালের বিপক্ষে তাদের পরের গ্রুপ ম্যাচ।
ইরাকের বিশ্বকাপ স্কোয়াড :
গোলরক্ষক: আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, কুমেল সাদি, ফাহাদ তালিব।
ডিফেন্ডার: হুসেইন আলি, মারচাস দস্কি, আকাম হাশেম, মাইথাম জব্বার, আহমেদ মাকনজি, দারিও নামো, ফ্রান্স পুত্রোস, মুস্তাফা সাদুন, রেবিন সুলাকা, জাইদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহিয়া, মানাফ ইউনিস।
মিডফিল্ডার: হাসান আব্দুলকারিম, আমির আল আমারি, ইউসেফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মারকো ফারজি, পিটার গোয়ারগিস, জিদানে ইকবাল, জাইদ ইসমাইল, আলী জসিম, কারার নাবিল, জুসেফ নাসরাওয়ে, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকুব।
ফরোয়ার্ড: মোহানাদ আলী, আইমেন হুসেইন, আলী আল হামাদি, আলী ইউসেফ।



