শেষ দিনে পাকিস্তানের সামনে ছিল ১২১ রানের লক্ষ্য, আর বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩ উইকেট। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান ভালোভাবেই শুরু করেছিল। মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খানের জুটি বাংলাদেশ শিবিরে শঙ্কা তৈরি করেছিল— হয়তো বিশ্বরেকর্ড গড়েই ফেলবে পাকিস্তান। তবে শেষমেশ বাংলাদেশ তা হতে দেয়নি। মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে শেষ তিন উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ এক অধ্যায় যোগ করেছে। কারণ, একাধিক ম্যাচের টেস্ট সিরিজে একই প্রতিপক্ষকে দুবার হোয়াইটওয়াশ করার নজির আগে কখনো ছিল না। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালেও পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সেই কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ।
দিনের শুরুতে রিজওয়ান ও সাজিদের জুটি ৫৪ রান যোগ করে চাপ বাড়াচ্ছিল। তবে তাইজুল ইসলামের বলে সাজিদ স্লিপে ক্যাচ দিলে ভাঙে জুটি। এরপর শরিফুল ইসলামের বলে রিজওয়ান আউট হন এবং খুররম শেহজাদ তাইজুলকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন। মুহূর্তেই পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে যায়।
বাংলাদেশের জয়, পাকিস্তানের হোয়াইটওয়াশ এবং ইতিহাস— সবকিছুই একসঙ্গে লেখা হয়ে যায় এই ম্যাচে।



