ছবি : সংগৃহীত
দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৫০ রানের লক্ষ্য পাওয়ার পর সমর্থকদের ধারণা ছিল সিরিজে সমতা ফেরাবে বাংলাদেশ। কিন্তু আবারও ব্যাটারদের দায়িত্বহীনতায় ১৪ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে লিটন দাসরা। ৩ ম্যাচ সিরিজের টাদুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৫০ রানের লক্ষ্য পাওয়ার পর সমর্থকদের ধারণা ছিল সিরিজে সমতা ফেরাবে বাংলাদেশ। কিন্তু আবারও ব্যাটারদের দায়িত্বহীনতায় ১৪ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে লিটন দাসরা। ৩ ম্যাচ সিরিজের টানা দুই ম্যাচ জিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ।না দুই ম্যাচ জিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একের পর এক জীবন পেয়েও স্বাগতিক ব্যাটাররা দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যেতে পারেননি। একাধিক সুযোগের একটিও কাজে লাগাতে না পেরে টানা দ্বিতীয় পরাজয়।
এশিয়া কাপ ও আফগানিস্তান সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা সাইফ হাসান জীবন পেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেছেন মাত্র ৫ রান। ফিরেছেন জেসন হোল্ডারের বলে ব্র্যান্ডন কিংকে ক্যাচ দিয়ে। তার বিদায়েই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে।
তিনে নেমে অধিনায়ক লিটন কুমার দাস বেশ ভালোই শুরু করেছিলেন। ৪টি চারে ১৭ বলে করেন ২৩ রান। আত্মবিশ্বাসী লিটনকে শেরফান রাদারফোর্ড সহজ ক্যাচ ছেড়ে নতুন সুযোগ দেন। কিন্তু আকিল হোসেনের আর্ম ডেলিভারিতে বোকা বনে যান। ব্যাটও নামানোর সুযোগ পাননি, হয়ে যান বোল্ড। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতন হয় বাংলাদেশের।
তাওহিদ হৃদয় ১২ রানে থাকা অবস্থায় বড় শট খেলেন। তবে দুর্দান্ত ক্যাচে তাকে ফেরান জেইডেন সিলস। রোমারিও শেফার্ডের বলে দারুণ ক্যাচে বিদায় নেন তাওহিদ।
ওপেনিংয়ে নামা তানজিদ হাসান তামিম একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট চালাতে থাকেন। তিনিও পেয়েছেন একবার জীবন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুলে নেন অর্ধশতকও। কিন্তু অর্ধশতক তাকে সঙ্গ দেওয়া জাকের ব্যাট আর বলের সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন। ফলে চাপে পড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে আটকা পড়েন তানজিদ ৬১ রান করে। ১১৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
তামিমের বিদায়ের পর সমীকরণ দাঁড়ায় ১৭ বলে ৩৩ রান। একটি চার মেরে রান বের করার চেষ্টায় থাকা জাকের পরের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে শেফার্ডের বলে খারি পিয়েরের হাতে আটকা পড়েন বাউন্ডারিতে। ২ চারে ১৮ বলে ১৭ করেন জাকের।
১২ বলে ২৬ রানের সমীকরণে শামীম ২ বলে ১ রান করে বোল্ড হন জেসন হোল্ডারের বলে। ৬ উইকেটে ১২৪ রান করা বাংলাদেশের জয় তখন পড়ে যায় শঙ্কায়। সেই ওভারে মোট ৫ রান নিতে হয় সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
শেষ ওভারে ২১ রানের কঠিন সমীকরণ মেলানোর জন্য আকিল হোসেনের বিরুদ্ধে কার্যকরি কিছুই করতে পারেনি তানজিম হাসান সাকিব ও রিশাদ হোসেন। তৃতীয় বলে ছয় মারার প্রচেষ্টায় ক্যাচ আউট হন রিশাদ। পরের ৩ বলে তানজিম ও নাসুম মিলে ২ রান নেন। শেষ বলে নাসুম আউট হন। ফলে ১৪ রানের পরাজয়ে সিরিজ হারায় বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রোমারিও শেফার্ড ও আকিল হোসেন সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন। দুটি উইকেট পান জেসন হোল্ডার।



