যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান আলহাজ মো. সোহাগের
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধশিল্পের টেকসই উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মো. সোহাগ। তিনি বলেন, গুণগত মান, উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
সম্প্রতি বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিনের নির্বাহী সম্পাদক সুমাইয়া জামানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আলহাজ মো. সোহাগ বলেন, ওষুধশিল্প, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রযুক্তি এবং লজিস্টিকস খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা, প্রযুক্তি, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের রয়েছে শক্তিশালী কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং উদ্যমী বেসরকারি খাত। তাই দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, যৌথ উদ্যোগ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি পেলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।
ওষুধশিল্পের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গুণগত মান নিশ্চিত করাই হতে হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। গবেষণা, মান নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড অনুসরণ এবং আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।
কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিষয়ে আলহাজ মো. সোহাগ বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ফসল কাটার পর অপচয় কমানো এবং মূল্য সংযোজন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের বিকল্প নেই। প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি, কোল্ড-চেইন অবকাঠামো, উন্নত প্যাকেজিং, লজিস্টিকস এবং সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন এ খাতের সক্ষমতা বাড়াবে। তিনি কাঁচা কৃষিপণ্য রপ্তানির পরিবর্তে উচ্চ মূল্যসংযোজিত প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, আধুনিক অবকাঠামো, স্থিতিশীল নীতিমালা, আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এবং যৌথ সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।



