ইসলামে সুস্থ জ্ঞানসম্পন্ন প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নর-নারীর ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। আল কোরআনে আল্লাহতাআলা নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন— “তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং যারা রুকু করে তাদের সঙ্গে রুকু করো।” (সুরা বাক্বারা: ৪৩)। হাদিসে রাসুল (সা.) নামাজকে দ্বীনের স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে আলেমরা বলছেন, প্রতিদিন নামাজ আদায়ের সময় অনেক মুসল্লি অজান্তেই ভুল করেন, যার কারণে নামাজ শুদ্ধ হয় না। রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ কালবেলা জানান, নামাজে শুধু ফরজ ও ওয়াজিব আদায় করাই যথেষ্ট নয়; বরং মনোযোগ, একনিষ্ঠতা ও ধীরস্থিরতা অপরিহার্য।
নামাজে সাধারণ ভুলগুলোর মধ্যে রয়েছে—
তাড়াহুড়া করে নামাজ: নবীজি (সা.) নামাজ ধীরস্থিরভাবে আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। সিজদায় ব্যবহৃত অঙ্গগুলো স্থির রাখা আবশ্যক।
মনে মনে কেরাত পড়া: ঠোঁট ও জিহ্বা না নাড়িয়ে কেরাত পড়লে নামাজ শুদ্ধ হয় না। কোরআন তিলাওয়াত মুখে উচ্চারণ করতে হবে।
সিজদার অঙ্গ মাটিতে না লাগানো: হাদিসে বলা হয়েছে, সিজদায় সাতটি অঙ্গ ব্যবহার করতে হবে—কপাল, নাক, দুই হাত, দুই হাঁটু ও দুই পায়ের আঙুল।
তাকবির ছাড়া রুকুতে যাওয়া: ইমামকে রুকুতে দেখে অনেকেই সরাসরি রুকুতে চলে যান। অথচ তাহরিমার তাকবিরের পর রুকুর জন্য আলাদা তাকবির পড়া আবশ্যক।
আলেমরা সতর্ক করে বলেছেন, নামাজে মনোযোগ ও ধীরস্থিরতা বজায় না রাখলে নামাজ গ্রহণযোগ্য হয় না। তাই মুসল্লিদের উচিত প্রতিটি ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাহ যথাযথভাবে আদায় করা।



