সন্তান জন্মের পর শুকরিয়াস্বরূপ যে পশু যবাই করা হয় তাকে আকিকা বলা হয়। ইসলামে আকিকা করা মুস্তাহাব। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, সন্তানের জন্য আকিকা করতে হয় এবং তার অশুচি চুল-নখ দূর করতে হয়। (বোখারি : ২/৮২২)
আমাদের দেশে অনেকেই কোরবানির পশুতে সন্তানের আকিকার অংশ দিতে চান। এ বিষয়ে ইসলামি স্কলারদের মতে, গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে শরিক হওয়া যাবে। এতে কোরবানি ও আকিকা দুটোই সহিহ হবে। ছেলের জন্য দুই অংশ আর মেয়ের জন্য এক অংশ দিতে হবে। শৈশবে আকিকা না হলে বড় বয়সেও তা করা যায়। আকিকার গোশত সন্তান, মা-বাবা সবাই খেতে পারবেন। (ইলাউস সুনান: ১৭/১২৬)
রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ বলেন, কেউ কেউ কোরবানির পশুর সাথে আকিকা দিলে সহিহ হবে না বলে মত দেন। তবে নির্ভরযোগ্য আলেমগণ এ মত গ্রহণ করেননি। কোনো হাদিসে কোরবানির সাথে আকিকা করতে নিষেধ নেই; বরং কোরবানির সাথে হজের কোরবানি ও জরিমানা দম একত্রে দেওয়ার প্রমাণ আছে। অর্থাৎ কোরবানির পশুতে অন্য ইবাদতের নিয়তে শরিক হওয়া জায়েজ।
ফিকহ ও ফাতওয়ার কিতাবাদিতেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোরবানির সাথে আকিকা সহিহ। (রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৬, হাশিয়াতুত তহতাবী আলাদ্দুর: ৪/১১৬)



