মেহনতি মানুষের পক্ষে থাকায় জিয়া পরিবার সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত: প্রাইম বাবুল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট:
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৫, ১০:৫৬ পিএম
ছবি-যুগের চিন্তা
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওতাধীন বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নবায়ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২০ জুলাই) বিকালে নাসিক ২৩নং ওয়ার্ডস্থ কবিলের মোড় এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদের সঞ্চালনায় প্রাথমিক সদস্য নবায়ন অনুষ্ঠানের কার্যক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির প্রবীন রাজনীতিবিদ ও প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম মজনু।

এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির প্রবীন রাজনীতিবিদ ও প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল বলেন, যারা এখানে উপস্থিত আছেন তারা সবাই নিযার্তিত স্বৈরাচারী হাসিনার সরকারের আমলে সবাই মিথ্যা মামলা হামলার শিকার হয়ে কারাভোগ করেছেন। কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন না ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের পক্ষে থাকার অপরাধে জিয়া পরিবার সবচেয়ে বেশি নিযার্তনের শিকার হয়েছে।
তিনি বলেন,তৎকালিন সময় যারা এই দেশকে নিয়ে ভাবতেন সেই আওয়ামীলীগের কেউ স্বাধীনতা যোদ্ধে অংশগ্রহন করে নাই। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মেজর থাকা কালিন দিশেহারা জাতিকে পথ দেখিয়ে ছিলেন। তার হাত ধরেই এদেশের স্বাধীনতাকামি জনগণ পাকিস্তানীদের পরাধীনতার ধুম্রজাল ছিন্ন করে। স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বমানচিত্রে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হয়ে ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, আমরা লুটপাটে জড়িত না আমাদের আর্দশ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা আর্দশে অনুপ্রানীত। জিয়ার সৈনিকরা কখনই কোন স্বৈরাচারের সাথে আপোষ করে না। এখানে যারা উপস্থিত আছেন এক একজন নেতাদের বিরুদ্ধে ৪০/৫০টি মামলা আছে। আতাউর রহমান মুকুল সাহেবকে বিএনপি থেকে সরাতে নানা ষড়যন্ত্র করেছে এবং এখনো করছে।
তিনি বলেন, আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের আহবান করবো অচির্ইে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক বিষয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে। কারন বর্তমান মহানগর বিএনপির যে কমিটি দেওয়া হয়েছে, তারা প্রতিটি ওয়ার্ডে বিভক্তি সৃষ্টি করে রেখেছে। তারা ফ্যাসিষ্টদের প্রতিষ্ঠিত করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে।
এসময় মহানগর বিএনপির সদস্য ও বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড.বিল্লাল হোসেন, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম মজনু, সদর থানা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক রাশেদ আহম্মেদ টিটু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক চৌধুরী,ইঞ্জিঃ রেজানুর রহমান রুপম, এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক নেতা মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, আবুল কাশেম, মোঃ সাফী, নেছার উদ্দিন, আমজাদ হোসেন, আল মামুন, মহিবুল ইসলাম, আলম হোসেন, মধু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিজানুর রহমান আরিফ, শহীদ মেম্বার, জান্নাতুল ফেরদৌস রাজীব সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



