Logo
Logo
×

জাতীয়

১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে উৎপাদনে ফিরছে ৯ চিনিকল

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ পিএম

১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে উৎপাদনে ফিরছে ৯ চিনিকল

রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি চিনিকলের কার্যক্রম ধাপে ধাপে শুরুর জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান সুরুজ জানিয়েছেন, নাটোরের গোপালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস ইতোমধ্যে আখ মাড়াই শুরু করেছে এবং প্রায় ৪০০ টন চিনি উৎপাদন করেছে।

নাটোর সুগার মিলস ও রাজশাহী সুগার মিলস ১৩ নভেম্বর থেকে মাড়াই শুরু করবে। গত ২ নভেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে জিল বাংলা সুগার মিলস ২৭ নভেম্বর ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস ৪ ডিসেম্বর কার্যক্রম শুরু করবে।

বাকি চারটি চিনিকল—জয়পুরহাট সুগার মিলস, চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ), ঝিনাইদহের নলডাঙ্গায় মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস ও মধুখালীতে ফরিদপুর সুগার মিলস ১৮ ডিসেম্বর আখ মাড়াই শুরু করবে।

লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়েই সরকার এই উদ্যোগ নিলো।

বিএসএফআইসির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে করপোরেশনের সামগ্রিক লোকসান ৫৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৫০৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

তবে এই হিসাব কেবল শুধু চালু থাকা নয়টি চিনিকলের নয়, করপোরেশনের সব স্থাপনার।

নয়টি চিনিকলের মধ্যে শুধু কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ওই অর্থবছরে ৯৭ কোটি ৮ লাখ টাকা মুনাফা করেছে।

প্রতি কেজি চিনি উৎপাদনে সুদসহ ব্যয় হয়েছে ২৬০ টাকা ১৪ পয়সা এবং সুদ ছাড়া ১৮১ টাকা ৭৩ পয়সা। অন্যদিকে, সরকার নির্ধারিত বিক্রয় মূল্য ছিল প্রতি কেজি ১২৫ টাকা।

করপোরেশন আরও জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নয়টি চিনিকল ৮ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টন আখ মাড়াই করে ৪৬ হাজার ১৮৭ টন চিনি উৎপাদন করেছে। অথচ দেশে বছরে চিনির চাহিদা প্রায় ২০ লাখ টন।

এই শিল্পে লোকসানের পেছনে মাড়াই সক্ষমতার তুলনায় অপর্যাপ্ত আখ সরবরাহ এবং পুরোনো কারখানা ও যন্ত্রাংশকে দায়ী করেছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, করপোরেশনের ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ছয়টি ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে বন্ধ রয়েছে।

সুরুজ বলেন, বিএসএফআইসি প্রতিদিন আখ মাড়াই ও চিনি উৎপাদনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। মৌসুমের শুরুতে চিনি আহরণের হার প্রায় ৫ শতাংশ থাকলেও পরবর্তীতে ৬ শতাংশ বা তার বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘চিনির উৎপাদন হার বাড়াতে আমরা বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছি। কম আহরণের পেছনে কিছু কারিগরি ও অন্যান্য কারণ রয়েছে। আমরা সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছি। চিনিকলগুলোতে পরিষ্কার ও ভালো মানের আখ সরবরাহ নিশ্চিত করতেও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষামূলকভাবে মধুখালী ও নাটোরে উন্নত জাতের আখ চাষ করছে করপোরেশন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন