রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈষম্য হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো চাকরিপ্রার্থীকে বৈষম্যের শিকার হতে হবে না। নিয়োগের আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন একটি নিয়মিত ও বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া হলেও তা কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় করা হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের নিয়োগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পিএসসি থেকে মোট ৬৬৫ জনের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজন প্রয়োজনীয় সনদপত্র জমা দিতে পারেননি এবং আটজন বাধ্যতামূলক মেডিকেল পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলে কার্যকর প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৫৭ জনে।
তিনি বলেন, এই ৬৫৭ জনের মধ্যে ৬১১ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বাকি প্রার্থীদের বিষয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ বাদ পড়ছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। তাই কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় চাকরি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে বৈষম্যের কারণ হবে না।
তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ, দণ্ড বা বিচারাধীন কোনো বিষয় থাকলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী তা যাচাই করা হয়। তবে কেবল রাজনৈতিক মতাদর্শ বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে কাউকে বঞ্চিত করা হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগেই বিভ্রান্তি ছড়ানো ঠিক নয়। একাধিক ধাপে নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে এবং যাদের বিষয়ে যাচাই চলছে, তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনার জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক বিধান এবং সব সরকারের আমলেই অনুসরণ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বাকি প্রার্থীদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কাজ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ছুটির দিনেও কাজ করছে।



