১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত
যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার জাতীয় সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে সংকটের জন্য সরকার প্রকৃত তথ্য গোপন করতে চায় না। ভুল নীতি এবং সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবেই বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট হলেও প্রতিদিন প্রয়োজন ১ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। অথচ দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। শিল্প ও গৃহস্থালি খাতের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পুরো গ্যাস ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ এবং মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণে রয়েছে। দ্রুত এগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলেও বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। বকেয়া পরিশোধে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা পরিশোধ হলে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী মাসের শুরুতেই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে। একই সঙ্গে রুফটপ সোলার প্রকল্পকে মধ্য মেয়াদি সমাধান হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে সরকার কিনবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেন।



