পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘সহায়ক পরিবেশ’ চায় ঢাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ছবি: পিএমও
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার স্বার্থে ভারত সরকারকে একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। একই দিন দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে দুদেশের সম্পর্ক ও বৈঠকের খুঁটিনাটি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠাতে দিল্লিকে পুনরায় আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে ভারত সরকারের চাওয়া সব নথি ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার বিতর্কিত বক্তব্যের প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনার বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর সুযোগ দেয়াটা অনুচিত ছিল। বাংলাদেশের বিচার বিভাগসহ কোনো রাষ্ট্রীয় স্তম্ভকে খাটো বা অবমূল্যায়ন না করার বিষয়ে ভারত সরকারকে বার্তা দেয়া হয়েছে। ভারতীয় পক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছে এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করেছে।
এ ছাড়া ভারত সফরের আমন্ত্রণের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, ব্রিকসের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত সরকারের পূর্বের আমন্ত্রণপত্রও বহাল রয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও চূড়ান্ত কিছু নির্ধারিত হয়নি বলেও জানান তিনি।



