রামিসা হত্যা মামলায় ফরেনসিক রিপোর্টে যে তথ্য জানা গেল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রতিবেদনে নিশ্চিত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, মামলার মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণ করেছিলেন। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
শনিবার শিশুটির ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট থেকে প্রতিবেদন দেওয়া হয় এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগপত্রের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং রোববার আদালতে তা জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।
প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম ঈদের পর শুরু হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান বলেন, ফরেনসিক রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, রামিসাকে মৃত্যুর আগে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগপত্র জমার কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী রোববারের মধ্যে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সিডিএমএসে এন্ট্রি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে আইন মন্ত্রণালয় মামলাটি দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



