Logo
Logo
×

জাতীয়

ঢাকায় ৬ ঘণ্টায় ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম

ঢাকায় ৬ ঘণ্টায় ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

রোদের উত্তাপে শনিবার দিনভর গরমের পর গভীর রাতের বৃষ্টিতে স্বস্তি মিলেছে রাজধানীতে, রোববার রাত ৩টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টায় ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এমন বৃষ্টি কম-বেশি আরও দুদিন ঝরতে পারে বলেও আভাস এসেছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক রোববার সকালে বলেন, ৬ ঘণ্টায় ৫৯ মিলিমিটার অর্থাৎ ভারি বৃষ্টি হয়েছে ঢাকায় এটা মোটামুটি মোর অর লেস আরো দুই দিন থাকতে পারে।

ঢাকায় রাত সোয়া ৩টা নাগাদ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর ঘণ্টাখানেক বৃষ্টি ঝরে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আবারও মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

সকালের এই বৃষ্টিতে স্বভাবতই কর্মক্ষেত্রে যেতে ঝামেলায় পড়েন চাকরিজীবীরা। এছাড়া, ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সাময়িক জলাবদ্ধতাও সৃষ্টি হয় বৃষ্টির কারণে।

এদিকে, রোববার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, আমরা কয়েকটা নদীবন্দরে এক নম্বর সিগন্যাল দিয়েছি। কারণ হচ্ছে, ওই নদীতে যখন মেঘগুলো পাস করে, প্রচুর থান্ডারিং (বিদ্যুৎ চমকানো) হয়, অনেক সময় ঝড়ের দমকা ঝড়ো হাওয়া-সহ হতে পারে। তো এরকম ক্ষেত্রে আমরা যদি দেখি যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাস হওয়ার পসিবিলিটি থাকে, সেই অনুযায়ী আমরা এক নম্বর, দুই নম্বর সিগন্যাল দেই। তো আজকে আমরা এক নম্বর সিগন্যাল দিয়েছি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের রোববার সকালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রোববার সকাল ৯টা থেকে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এই সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বগুড়া ও তাড়াশে ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে টাঙ্গাইলে ৫২ মিলিমিটার, এছাড়া ঢাকা ও বগুড়ায় ৩৩ মিলিমিটারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কম-বেশি বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন