বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী সীমান্তে মানুষ হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “রক্তপাত কবে বন্ধ হবে?”
শনিবার (৯ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রিজভী বলেন, এ ধরনের আচরণ ভারতের সাধারণ মানুষও চান না। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, কিন্তু সীমান্তে বারবার রক্তাক্ত ঘটনা ঘটলে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠবে না।
রোববার (১০ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাখাওয়াত হোসেন।
রিজভী বলেন, স্থায়ী ভালো সম্পর্ক গড়তে হলে দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভারতের নির্বাচন তাদের নিজস্ব ব্যাপার হলেও সীমান্তে বাংলাদেশিদের গুলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারের কোনো ঘাটতি নেই। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা জাতির কাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, তাই তাদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করার সুযোগ নেই।
প্রধানমন্ত্রীর নিরলস পরিশ্রমের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণ এ ধরনের নেতৃত্বই চেয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জিয়াউর রহমানের যুগান্তকারী পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় তার উত্তরসূরী তারেক রহমানও দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।
রিজভী আরও বলেন, অতীতের মতো প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার। তিনি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।



