Logo
Logo
×

জাতীয়

গত বছর বেশিরভাগ শিশু পায়নি হামের টিকা, বেড়েছে হামের প্রকোপ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:২২ এএম

গত বছর বেশিরভাগ শিশু পায়নি হামের টিকা, বেড়েছে হামের প্রকোপ

ছবি : সংগৃহীত

টানা কয়েক বছরের সন্তোষজনক অগ্রগতির পর দেশে হামের টিকাদান কভারেজে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এমআর-১ (মিজেলস-রুবেলা) ও এমআর-২ টিকার কভারেজ ৮০ শতাংশের ওপরে থাকলেও ২০২৫ সালে তা নেমে আসে ৬০ শতাংশের নিচে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন টিকা কার্যক্রমে ঘাটতির কারণে হামের প্রকোপ আবারও দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এমআর-১ টিকার কভারেজ দাঁড়ায় ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং এমআর-২ টিকার কভারেজ ৫৭ দশমিক ১ শতাংশে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘অ্যাক্টিভ ক্যাম্পেইন’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও ২০২৫ সালে তা হয়নি। ফলে বিশেষ করে বাড়িতে জন্ম নেওয়া বিপুলসংখ্যক শিশু টিকা পায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আবু হোসেইন মো. মইনুল আহসান বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের সংক্রমণ বাড়ছে। বড় ১০টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন করে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানিয়েছেন, আগামী জুলাই-আগস্টে দেশজুড়ে ক্যাম্পেইন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক জোট গ্যাভিকে অবহিত করা হয়েছে এবং মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ২ কোটি সিরিঞ্জ পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সংক্রমণ বাড়লেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসা জোরদার করা হয়েছে এবং ডিএনসিসি হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। আইসিইউ সুবিধাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন