২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি সরকারের ৬ নির্দেশনা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
আগামী বছরের হজ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এসব নির্দেশনার কথা জানিয়ে দেশের হজ এজেন্সিগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৬ সালের হজ অনুষ্ঠিত হবে ২৬ মে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর)।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নির্দেশনাগুলো হলো:
হজ চুক্তির খসড়া প্রস্তুতি: সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে হজযাত্রীর সংখ্যা, জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহারকারী হজযাত্রীদের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে।
আবাসন ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা: অনুমোদিত ভবন ছাড়া অন্য ভবনে হজযাত্রীদের স্থানান্তর বা মাসার সিস্টেমের বাইরে আবাসনের ব্যবস্থা করা যাবে না। নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ও প্রধানকে কালো তালিকাভুক্ত করে সৌদি আরবে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
কালো তালিকাভুক্ত এজেন্সির নিষেধাজ্ঞা: ২০২৫ সালের হজ মৌসুমে কালো তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি ২০২৬ সালের হজে অংশ নিতে পারবে না।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ: একটি নির্ধারিত গ্রুপে হজ সংক্রান্ত সব তথ্য যেমন—হজযাত্রীর সংখ্যা, তাঁবু বুকিং, লিড এজেন্সির তালিকা, ব্যাংক তথ্য ইত্যাদি নির্ভুলভাবে আপলোড করতে হবে।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধিনিষেধ: সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিহ্নিত ৯ ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না। হজ অ্যাফেয়ার্স সার্টিফিকেট ছাড়া ভিসা দেওয়া হবে না। ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টিম ও অফিস প্রধানকে নিষিদ্ধ করা হবে এবং ভবিষ্যতের কোটায় প্রভাব পড়বে।
নুসুক কার্ড বিতরণ: ২০২৬ সালের হজে নুসুক কার্ড বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাওয়ার বাসেই সরবরাহ করা হবে। এজন্য হজযাত্রীর হোটেলের নাম, ঠিকানা, কক্ষ ও বেড নম্বর আগেই দিতে হবে, যা কার্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এই নির্দেশনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।



