Logo
Logo
×

আইন-আদালত

দ্বিতীয় দিনের মতো জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন তদন্ত কর্মকর্তা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ এএম

দ্বিতীয় দিনের মতো জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন তদন্ত কর্মকর্তা

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

প্রসিকিউশন জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন আংশিক জবানবন্দি দেন তিনি। বাকি অংশের জবানবন্দির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে কোথায় কোথায় গেছেন, কী কী তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং সেসব কীভাবে মামলার অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তার বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও জেরা শেষ হলে আসামিপক্ষও চাইলে সাফাই সাক্ষ্য দিতে পারবে। এরপর শুরু হবে মামলার যুক্তিতর্ক।

এর আগে, ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্তকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতের তথ্য ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একই দিন মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনি ছিলেন মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী।

এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।

এসব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন