জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট-কে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও অর্থদণ্ড অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে। আদালত তার অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
রায়ে উল্লেখ করা হয়, দুই ধারার সাজা ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে। ফলে সম্রাটকে মোট ২০ বছর কারাভোগ করতে হবে। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য নির্ধারিত হয়। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর নুরে আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হয়নি।
গত বছরের ১৭ জুলাই আদালত এ মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় র্যাব কুমিল্লা থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই বছরের ১২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। মামলায় প্রথমে প্রায় ২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হলেও ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর দাখিল করা অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে মোট ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।



