ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার’ নোটিশের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি ২৬ অক্টোবর
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
ইমরান খান
ভারত ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে বলিউড অভিনেতা ইমরান খানের করা আবেদনের শুনানি আগামী ২৬ অক্টোবর হবে বলে জানিয়েছে বোম্বে হাইকোর্ট।
আজ সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও ভারতের ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডধারী ইমরানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কারণে মুম্বাইয়ের বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন দপ্তর (এফআরআরও) এ নির্দেশ দেয়।
তবে ওই নির্দেশকে স্বেচ্ছাচারী, বেআইনি ও অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর বোম্বে হাইকোর্টে আবেদন করেন ইমরান। তিনি এ সংক্রান্ত নোটিশ বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন।
সোমবার ইমরানের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ভেঙ্কটেশ ধোন্দ প্রধান বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী ও বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার বেঞ্চে আবেদনটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য উপস্থাপন করেন। পরে আদালত ২৬ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করে।
আবেদনে ইমরান দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রচারণার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্বাধীনভাবে পরিস্থিতি যাচাই না করে জনচাপের মুখে নির্দেশটি জারি করেছে বলেও অভিযোগ তার।
১৪ অক্টোবরের নোটিশ বাতিলের পাশাপাশি এর কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন করেছেন ইমরান। একই সঙ্গে তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া, তার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, কালো তালিকাভুক্ত করা কিংবা ওসিআই মর্যাদায় হস্তক্ষেপের মতো পদক্ষেপ থেকে কর্তৃপক্ষকে বিরত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ নথিও আদালতে উপস্থাপনের আবেদন করেছেন।
সেদিন কী ঘটেছিল
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর পুলিশ ইমরানকে আটক করে। এর কিছুদিন পর বিজেপি নেতা কিরিত সোমাইয়া মুম্বাইয়ের গামদেবী থানায় একটি এফআইআর করেন। এতে তার বিরুদ্ধে জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়।
ইমরানের আবেদনে বলা হয়, এসব ঘটনার পর খুব দ্রুত তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
এদিকে, ১৭ অক্টোবর এফআরআরও আলাদাভাবে ইমরানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। এতে ভারতের নাগরিকত্ব আইনের ৭ডি ধারায় তার ওসিআই নিবন্ধন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। তবে আবেদনে ইমরান ওই কারণ দর্শানোর নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করেননি।



