ছবি- সংগৃহীত
বাংলাদেশের আন্ডারগ্রাউন্ড রক সংগীতজগতের প্রিয় মুখ, ব্যান্ড ‘ওইনড’-এর ভোকালিস্ট এবং ফ্রন্টম্যান এ কে রাতুল হঠাৎ করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। শনিবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর একটি জিমে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুতই তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা রাতুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই দুঃসংবাদটি নিশ্চিত করেছে দৃক ব্যান্ড ও বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত কমিউনিটি, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে। রাতুলের সহশিল্পীরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক শোকবার্তা জানাচ্ছেন। এই অকালপ্রয়াণ অনেকেই এখনও মেনে নিতে পারছেন না।
২০১৪ সালে ‘ওইনড’-এর প্রথম অ্যালবাম ‘1’ প্রকাশের মাধ্যমে রাতুল নিজেকে সংগীতপ্রেমীদের মাঝে তুলে ধরেন। এরপর ২০১৭ সালে দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘2’ মুক্তি পায়। তাঁর কণ্ঠশক্তির জন্য দুটি অ্যালবামই পেয়েছিল শ্রোতাদের বিপুল ভালোবাসা।
গায়ক হওয়ার পাশাপাশি রাতুল ছিলেন দক্ষ সংগীতপ্রযোজক। তিনি দেশের অনেক রক ব্যান্ডের জন্য সফল অ্যালবাম নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর এই হঠাৎ বিদায় দেশের সংগীতাঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
প্রসঙ্গত, রাতুল ছিলেন প্রয়াত চলচ্চিত্র তারকা জসীমের সন্তান। যদিও বাবা জসীমের মতো অভিনয়ে আসেননি, রাতুলসহ তার দুই ভাই রাহুল ও সামী সংগীতজগতেই সক্রিয় ছিলেন। রাহুল যুক্ত ছিলেন ‘ট্রেনরেক’ ব্যান্ডের গিটারিস্ট হিসেবে এবং ‘পরাহো’ ব্যান্ডের ড্রামার হিসেবে। অন্যদিকে, রাতুল ও সামী যুক্ত ছিলেন ‘ওইনড’-এর সঙ্গে, যেখানে রাতুল ছিলেন ভোকালিস্ট ও বেজিস্ট এবং সামী ড্রামার হিসেবে কাজ করতেন।
আরএস/



