Logo
Logo
×

শিক্ষা

রবীন্দ্র সংগীতকে ব্যাঙ্গ করে আম্মারের ‘রঠা সংগীত’, সমালোচনা

Icon

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

রবীন্দ্র সংগীতকে ব্যাঙ্গ করে আম্মারের ‘রঠা সংগীত’, সমালোচনা

রবীন্দ্র সংগীতকে ব্যাঙ্গ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ‘রঠা সংগীত’ নামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে তিনি ব্যাঙ্গাত্মকভাবে রবীন্দ্র সংগীতকে উপস্থাপন করেছেন। 

এদিকে রবীন্দ্রনাথ পতিতালয়ের পাশাপাশি সাহিত্যসাধনা করাকেও উল্লেখ করে আরেকটি পোস্ট করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। গতকাল তার নিজের ফেসবুক একাউন্টে তিনি এসব পোস্ট করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশ সমালোচনা করেছেন। তবে আম্মারের দাবি ‘প্যারোডি’।

গতকাল ‘একটি রঠা সংগীত, রবীন্দ্রনাথের আত্মা ঘুরছে রাকসুতে’ ক্যাপশনে আম্মার রবীন্দ্র সংগীতকে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেন৷ যেখানে তিনি রবীন্দ্রনাথের গানের সুরে বলেন, ‘আমারও কলাবাগানে মুতেছে কে? মুতেছে বেশ করেছে হাগিল কে?’ 

বিষয়টি নিয়ে নিয়ে সমালোচনা করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল। তিনি বলেন, ‘আম্মার যে অভিযোগগুলো করছে সেগুলোর পেছনে কোনো প্রমাণ বা তথ্যসূত্র নেই। মনগড়া অভিযোগ তুলে বিভিন্নভাবে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রচণ্ড ঘৃণা ও সাম্প্রদায়িকতা লুকিয়ে আছে।’

তিনি আম্মারের বিচার দাবি করে বলেন, ‘এমন একজন ব্যক্তি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন যা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।’ 

আম্মার বলেন, ‘আমি রবীন্দ্রসংগীত পারি, তাই পোস্ট করেছি। রবীন্দ্রসংগীতকে ব্যঙ্গ করে পোস্ট করব কেন? আমরা যখন থিয়েটার করতাম, তখন নজরুলসংগীত, রবীন্দ্রসংগীতসহ বিভিন্ন গান নিয়ে প্যারোডি করতাম।’

এদিকে আরেকটি পোস্টে আম্মার লেখেন, ‘রবীন্দ্রনাথ হওয়া এতো সোজা না! ৪৩টা পতিতালয় চালাইয়া, কাস্টমার রিভিউ ঠিক রেখে আবার সাহিত্যসাধনা করা চাট্টেখানি কথা না।’

বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশ সমালোচনা করে পোস্ট করেন। 

পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের  সাবেক শিক্ষার্থী আদিত্য রায় রিপন বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ হওয়া এতো সোজা না’ এটা যেমন ঠিক, তেমনি একাধারে ‘ছাগলের তিন নম্বর বাচ্ছা’, ‘রাম ছাগল’, ‘ভোদাই’, ‘বিশিষ্ট বোকাচোদা’, ‘ধুরন্ধর’ ইত্যাদি হওয়াও কিন্তু চাট্টিখানি কথা না। এইসব আপনি একাই হয়ে দেখিয়েছেন। যা এক কথায় অবিশ্বাস্য! 

আরেক শিক্ষার্থী মাতিন আকন্দ বলেন, ‘কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই একজন জিএসের এমন দাবি করা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।’

এদিকে আম্মার বলেন, ‘আর রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে পতিতালয়সংক্রান্ত যে পোস্টটি ঘিরে আলোচনা হচ্ছে, সেটি মূলত তাঁর মেধার প্রশংসা করেই করা। একজন মানুষের মস্তিষ্ক এতটা তীক্ষ্ণ হতে পারে—এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি তাঁকে অ্যাপ্রিশিয়েট করেই পোস্টটি করেছি।’

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন