২০২৮ সাল থেকে চালু হবে নতুন কারিকুলাম: শিক্ষামন্ত্রী
যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে এবং ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এখন আরও কঠোরভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম ও অগ্রগতি মূল্যায়ন করছে। বর্তমানে দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মান নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ‘বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে।
তিনি জানান, সম্প্রতি মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটিও বাংলাদেশে ক্যাম্পাস স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান তিনি।
এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও উন্নত ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষা খাতের উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এটিকেই দেশের অগ্রগতি ও সাফল্যের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে।
শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, আগে এ খাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ ছিল। বর্তমানে তা বেড়েছে এবং ভবিষ্যতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পর্যাপ্ত অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, সমাজে তরুণদের একটি অংশ বিভিন্নভাবে পথভ্রষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজনৈতিক কর্মসূচির চেয়ে সমাজ পরিবর্তনের উদ্যোগ বেশি প্রয়োজন। তার মতে, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।
মন্ত্রী দেশপ্রেম, ইতিবাচক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে শিক্ষার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নেতিবাচকতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।



