এইচএসসি পরীক্ষায় নকলমুক্ত পরিবেশে নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৩২ এএম
আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। কক্ষ পরিদর্শক নিয়োগ, আসন বিন্যাস, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং সিসিটিভি স্থাপনসহ সব ক্ষেত্রে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতি ২০ পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ পরিদর্শক নিয়োগ দিতে হবে এবং প্রতিটি কক্ষে অন্তত দুজন দায়িত্ব পালন করবেন। বেঞ্চের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী আসন নির্ধারণ করা হয়েছে— ৫ বা ৬ ফুট বেঞ্চে দুজন এবং ৪ ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।
নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে, আর অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা দেবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা ও দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হবে। প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে যাচাই করতে হবে এবং নির্ধারিত সেট কোড ছাড়া অন্য সেটে পরীক্ষা নিলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত ঘড়ি ছাড়া অন্য কোনো ঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে না। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ শুরু হবে এবং পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সবাইকে কক্ষে বসাতে হবে।
প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর ১০ দিন আগে বিতরণ করতে হবে এবং কোনো ভুল থাকলে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন করতে হবে। উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিষয়ভিত্তিক আলাদা প্যাকেটে বোর্ডে পাঠাতে হবে। বিশেষ চাহিদা-সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
পরীক্ষা চলাকালে প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ক্লাস বন্ধ রাখতে হবে, টয়লেট তল্লাশি করে নকলের উপকরণ অপসারণ করতে হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কাউকে কেন্দ্রে অবস্থান করতে দেওয়া যাবে না। সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ক্যামেরার মডেল, সিরিয়াল নম্বর, আইডি ও পাসওয়ার্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।



