রাবি ছায়া জাতিসংঘ সংস্থার সভাপতি মুকিত, সম্পাদক প্রণব
রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছায়া জাতিসংঘ সংস্থার (আরইউমুনা) কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬-২৭ ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মুকিত আলম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী প্রণব কুমার সাহা।
সোমবার (১৮ই মে ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবনের টিচার্স লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত রাবি ছায়া জাতিসংঘের সাধারণ বার্ষিক পরিষদে ১৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও রাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভেজ আজহারুল হক। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া আক্তার আলো ও মশিউর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত ও আফ্রিদা বিনতে ইকবাল।
এছাড়াও সংগঠনটি পরিচালনার জন্য সাতজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছে। পরিচালকবৃন্দরা হলেন মো. বায়েজীদ হোসেন, আফসানা মীম, আল হাবিব, আরমান হোসেন, রাইয়ান বিনতে হাবিব, আবুল কালাম রকিব, পাইংপ্রু মারমা।
বার্ষিক কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি দেওয়ান বাধঁন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইরফান সরোয়ার জীবন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সংগঠনটির নব-নির্বাচিত সভাপতি মুকিত আলম বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি প্রত্যেক বছর বিভিন্ন কনফারেন্স এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে৷ এরই ধারাবাহিকতাকে বজায় রেখে আগামীতে রাবি ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা তাদের অগ্রগতি এবং কার্যক্রম বজায় রাখতে নতুন নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ নিরলস প্রচেষ্টা করে যাবে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।”
সাধারণ সম্পাদক প্রণব কুমার সাহা বলেন, “সংগঠনটি শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বিভিন্ন সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনটি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নেও কাজ করে থাকে৷ এসময় তিনি বলেন, সংগঠনের সফলতা নির্ভর করে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে আশা করি ভবিষ্যতে সংগঠনটিকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।”
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা (আরইউমুনা) ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে কূটনীতি চর্চার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে আসছে।



