বাজেটে কিছু পণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা, বাড়ছে শুল্ক ও ভ্যাট
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৫, ০৫:০৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায় ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক ও ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
এসি-ফ্রিজের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। মোটরসাইকেল ও সাইকেলের যন্ত্রাংশেও শুল্ক বাড়ানোর কারণে দাম বাড়তে পারে।
সিগারেটের দাম নতুন করে না বাড়লেও সিগারেট পেপারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বাজারে সিগারেটের দামে প্রভাব ফেলতে পারে।
দেশীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভ্যাট ২ থেকে আড়াই শতাংশ বাড়ানোর ফলে মোবাইল ফোনের দাম বাড়তে পারে।
ব্যাটারিচালিত রিকশার ১২০০ ওয়াটের ডিসি মোটরের কাস্টমস শুল্ক ১ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে, যা এর দাম বাড়াবে।
রড ও স্টিলে ভ্যাট বৃদ্ধির ফলে নির্মাণ খরচও বাড়বে। আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে শুল্ক-ভ্যাট ২০-২৩ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কসমেটিক্স পণ্যের আমদানিতে ন্যূনতম মূল্য বিভিন্ন হারে বাড়ানো হচ্ছে। লিপস্টিকের আমদানির শুল্ক ২০ ডলার থেকে ৪০ ডলার করা হতে পারে।
ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্যের ওপর ভ্যাট দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, ফলে চা-কফি কাপ, প্লাস্টিক প্লেট ও বাটির দাম বাড়তে পারে।
সেলুনে ব্যবহৃত ব্লেডের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ করা হচ্ছে।
দেশে তৈরি সুতার উৎপাদনে সুনির্দিষ্ট কর তিন টাকা থেকে পাঁচ টাকা করার ফলে লুঙ্গি, গামছাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
নতুন বাজেটে হেলিকপ্টার আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হতে পারে, যা এর আমদানি খরচ বাড়াবে।
বিদেশি চকলেটের শুল্কায়নের ন্যূনতম মূল্য চার ডলার থেকে ১০ ডলার করার ফলে দাম বাড়তে পারে।
স্থানীয় শিল্প সুরক্ষায় বিদেশি খেলনার ট্যারিফ মূল্য বাড়ানো হচ্ছে। শুল্ক বৃদ্ধিতে তারকাঁটা, নাট-বোল্ট, দরজার তালাসহ আরও কিছু পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব পরিবর্তন বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে সাধারণ জনগণের খরচও বাড়তে পারে।



