Logo
Logo
×

অর্থনীতি

আলু–পেঁয়াজে বড় পতন, লেবু–সবজির বাজারেও স্বস্তি

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৫ পিএম

আলু–পেঁয়াজে বড় পতন, লেবু–সবজির বাজারেও স্বস্তি

রোজাকে ঘিরে বাজারে যে দামের উষ্ণতা জমেছিল, তা এখন অনেকটাই নেমে এসেছে। লেবু, শসা, বেগুনের মতো রোজাসংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম কমার পাশাপাশি আলু ও পেঁয়াজে দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য পতন। ক্রেতাদের মুখে ফিরছে স্বস্তির ছাপ, বিক্রেতারাও বলছেন, চাহিদা কমায় বাজার এখন তুলনামূলক শান্ত।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকায় এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, রোজার আগে অনেকেই একসঙ্গে দুই থেকে তিন সপ্তাহের বাজার করে রাখেন। ফলে তখন চাহিদা বাড়ায় দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়। বর্তমানে সেই চাপ নেই। তাছাড়া স্কুল-কলেজে ছুটি শুরু হওয়ায় ঢাকায় মানুষের উপস্থিতি কমছে। অনেকে ইতোমধ্যে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন। এতে বাজারে ক্রেতা কমে গিয়ে দামে স্বস্তি ফিরেছে।

রোজার আগের দিন যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এখন তা নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, যা আগে ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। বর্তমানে শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা মরিচের বাজারেও পড়েছে ঠান্ডা হাওয়া। রোজার শুরুতে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ওঠা মরিচ এখন ভালো মানে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাড়া-মহল্লার ভ্যানে সাধারণ মানের মরিচ পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়।

ফুলকপি, মুলা, শিমসহ কিছু সবজির চাহিদা কমে যাওয়ায় সেগুলোর দামও নেমেছে। বর্তমানে শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। একই দামে মুলা, গাজর, পেঁপে, ফুলকপি ও বাঁধাকপিসহ পাঁচ থেকে ছয় ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আবু হোসেন বলেন, চাহিদা কমে যাওয়ায় দামও কমছে। আরও এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি আরও স্বস্তিদায়ক হতে পারে, কারণ তখন অনেকেই ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে যাবেন। মেস ও হোস্টেলের ক্রেতাও কমে যাচ্ছে।

মুদি পণ্যের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। ছোলা কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রোজার শুরুতে ছিল ১০০ থেকে ১১০ টাকা। খোলা পাম তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় নেমেছে। তবে সয়াবিন তেল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। খোলা চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজি এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।

মাংস ও ডিমের বাজারেও কিছুটা পতন দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি। ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়।

সব মিলিয়ে রোজার শুরুতে যে বাজার ছিল উত্তপ্ত, এখন তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বলে মনে করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন