Logo
Logo
×

সারাদেশ

বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না জাহাজ

Icon

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না জাহাজ

ফের জটিতলতা কারণে বৃহস্পতিবার কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না জাহাজ। যদিও সকাল থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল সকল দাপ্তরিক অনুমোদন মিলেছে বৃহস্পতিবার থেকে ৩ টি জাহাজ সেন্টমার্টিন যাত্রা দেবে। এর ভিত্তিতে জাহাজ কর্তৃপক্ষ টিকেট বিক্রিও শুরু করেছিল।

বুধবার সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ৫ শতাথিক টিকেট বিক্রি হলেও বৃহস্পতিবার জাহাজ চলাচল শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

তিনি জানান, সরকারি সকল সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতির জন্য বুধবার সারাদিন প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্মতি মিলেনি। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যে ৩টি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে যাত্রা দেবারি কথা ছিল তা হচ্ছে না। ইতিমধ্যে বিক্রি করা টিকেটের যাত্রীরা যখন জাহাজ চলাচল শুরু করবে তখন যেতে পারবেন।

তিনি আশা করছেন, বৃহস্পতিবার সম্মতি পেলে শুক্রবার জাহাজ চলাচল শুরু হবে।

বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য প্রদানে রাজী হননি।

তবে জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে একটি সমন্বয় সভা করা হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত হবে কখন জাহাজ যাচ্ছে। তবে কখন এই সভা আহবান করা হচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইতিমধ্যে  নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন পেয়েছে এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ নামের ৩ জাহাজ। অনুমোদন প্রাপ্ত এই ৩ টি জাহাজের ধারণ ক্ষমতা ২২ শত ৯৮ জন। যার মধ্যে এমভি বার আউলিয়া ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলি ৭৩২ জন, এমভি টেকনাফ ৭১৬ জন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দেয়া সময় সূচি মতে, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭ টায় কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দেবে আর বিকাল আড়াই টায় সেন্টমার্টিন ঘাট ফিরবে। এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দিয়ে সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে ২ টা ১৫ মিনিটে। এমভি টেকনাফ  সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দিয়ে সাড়ে ৩ টায় সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে।

সরকার সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সাড়ে চার মাস পর্যটকরা দ্বীপে যাতায়াতের পাশাপাশি রাত্রিযাপনও করতে পারবেন। তবে দ্বীপে যেতে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। পাশাপাশি আগের মতোই ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করতে হবে। দৈনিক সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটককে দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আগের বছরের প্রজ্ঞাপনে আরোপিত বিধিনিষেধ মতে রাতে সমুদ্রসৈকত ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয়ও করা যাবে না।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচলও নিষিদ্ধ থাকবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন