Logo
Logo
×

সারাদেশ

বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে সেন্টমার্টিনগামি পর্যটকবাহি জাহাজ চলাচল

Icon

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে সেন্টমার্টিনগামি পর্যটকবাহি জাহাজ চলাচল

নানা জটিলতা এড়িয়ে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহি জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমতি পাওয়া ৩ টি জাহাজ বৃহস্পতিবার সকালে পর্যায়ক্রমে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা দেবে।

এই ৩ টি জাহাজ হচ্ছে, এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যটকের জন্য উন্মুক্ত হলেও নানা জটিলতার কারণে জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি। সরকারি সকল সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রাপ্তির পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই ৩টি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে যাত্রা দেবে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

তিনি জানান, পর্যটকের সংখ্যা যত হোক প্রস্তুতি যাত্রা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে।

ইতিমধ্যে  নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন প্রাপ্ত এই ৩ টি জাহাজের ধারণ ক্ষমতা ২২ শত ৯৮ জন। যার মধ্যে এমভি বার আউলিয়া ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলি ৭৩২ জন, এমভি টেকনাফ ৭১৬ জন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দেয়া সময় সূচি মতে, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭ টায় কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দেবে আর বিকাল আড়াই টায় সেন্টমার্টিন ঘাট ফিরবে। এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দিয়ে সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে ২ টা ১৫ মিনিটে। এমভি টেকনাফ  সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা দিয়ে সাড়ে ৩ টায় সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে।

সরকার সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সাড়ে চার মাস পর্যটকরা দ্বীপে যাতায়াতের পাশাপাশি রাত্রিযাপনও করতে পারবেন। তবে দ্বীপে যেতে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। পাশাপাশি আগের মতোই ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করতে হবে। দৈনিক সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটককে দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আগের বছরের প্রজ্ঞাপনে আরোপিত বিধিনিষেধ মতে রাতে সমুদ্রসৈকত ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয়ও করা যাবে না।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচলও নিষিদ্ধ থাকবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন