কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী মহাসড়কে ফুটপাতের দাবিতে হাজারো মানুষের মানববন্ধন
কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী মহাসড়কের নির্মাণকাজে ফুটপাত রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ফুটপাত না থাকায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ তাঁদের। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ফুটপাতের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, মহাসড়কের পাশে রয়েছে কুড়িগ্রাম মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, রিভার ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও মসজিদ। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। পাশাপাশি চলাচল করেন শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ পথচারীরা। কিন্তু সড়ক সংস্কারের আগে ফুটপাত থাকলেও বর্তমানে তা বিলুপ্ত করা হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বক্তারা বলেন, সড়ক উন্নয়ন মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য। কিন্তু ফুটপাত ছাড়া মহাসড়ক নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। তাই নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ফুটপাতের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রামের সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হোসেন সরকার, রিভার ভিউ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম, দারুল হিকমা মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান, শিক্ষক আল-আমিন ও ছাত্রদল নেতা মো. লিমন হোসেনসহ অন্যরা।
সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “এই সড়কের পাশে আগে ফুটপাত ছিল, এখন কেন থাকবে না? ফুটপাত বিলুপ্তির কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়বে। সড়ক বিভাগের উদাসীনতা ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন আমরা চাই না। অবিলম্বে ফুটপাত নির্মাণ করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে, ইনশাল্লাহ।”
মানববন্ধন থেকে নির্মাণাধীন মহাসড়কে ফুটপাত অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।



