বিএনপিকে হেয় করতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে জামায়াত: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিএনপিকে হেয়প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন-এমন এলাকাগুলোতে সারের সংকট বা সার নিয়ে আন্দোলন হয়নি। বরং জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বা দলটির প্রভাব রয়েছে-এমন এলাকাগুলোতেই কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে দলীয় নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চাহিদার তুলনায় দেড় গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি সরকার নিয়েছে। ফলে সারের সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের সংকট হওয়ার কারণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুরেও তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃত্রিম সারসংকট তৈরির অভিযোগ করেছিলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কলঙ্ক বিএনপি সরকার নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে পৌঁছালে প্রতিমন্ত্রীকে পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার ফজলে রাব্বি, রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী ডন, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহবায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মোসলেমা বেগম মিলি কায়কোবাদ, সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহমেদ, ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বিপুল, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিমল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ হোসেন লিটু সহ প্রশাসন ও দলের স্থানীয় নেতারা।



