কক্সবাজারে ৩১ ভরি স্বর্ণসহ দুই চোরাচালানকারী আটক
কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচারের সময় ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ চোরাচালান চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এসময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি চারটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, সৌদি রিয়াল ও তিনটি সৌদি আরবের এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়।
রোববার দুপুরে কোস্ট গার্ডের কক্সবাজার স্টেশন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, কোস্ট গার্ডের অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন।
আটকরা হল- কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোনারপাড়া এলাকার মোহাম্মদ বেলালের ছেলে মো. আজিম (৩৩) এবং একই এলাকার মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে মো. ফারুক (২৮)।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর সংলগ্ন নতুন ফিশারি ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে বিসিজি স্টেশন কক্সবাজারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ডের কাছে তথ্য ছিল কক্সবাজার বিমানবন্দর দিয়ে একটি অসাধু চক্র শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণের একটি চালান দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসছে। এ খবরে কোস্ট গার্ডের একটি দল বিমানবন্দর এলাকার বাইরে নজরদারি বৃদ্ধি করে। এক পর্যায়ে বিমানবন্দরের বাইরে কক্সবাজার শহরের নতুন ফিশারি ঘাট এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কোস্ট গার্ড সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন। এতে মোটরসাইকেল আরোহীরা কোস্ট গার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। পরে কোস্ট গার্ড সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে মোটরসাইকেলটি জব্দ পূর্বক দুই আরোহীকে আটক করে।
“ এসময় আটকদের সাথে থাকা একটি ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের ৩১ ভরি স্বর্ণালংকার, চারটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার ৭৪২ টাকা, ১০ সৌদি রিয়াল এবং সৌদি আরবের তিনটি এটিএম কার্ড। “
তিনি বলেন, “ আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে স্বর্ণের চালানটি সৌদি আরব থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তারা এর আগেও একাধিকবার স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য কোস্ট গার্ডের কাছে স্বীকার করেছে। “
তবে আটকরা জানিয়েছেন, এসব স্বর্ণ তারা সৌদি আরব থেকে এনেছেন এবং তাদের কাগজপত্র রয়েছে।
আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে কক্সবাজার সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন।



