নরসিংদীতে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতার ৯ দিন পর মৃত্যু
নরসিংদী প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও গুলিতে আহত ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম দীর্ঘ নয় দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়েন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইব্রাহিম আল মাসুম ডাঙ্গা ইনিয়নের হাসনহাটা গ্রামের মমিন হাজীর ছেলে। তিনি ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।
এর আগে গত ১ আগস্ট রাতে ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনহাটা ফকিরবাড়ির এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় ও গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম। এছাড়া গুরুত্বর আহত হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ অন্তত ১০জন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ফকির বাড়ি এলাকার বিজয়, সবুজ, ইকবাল ও সানির সাথে একই এলাকার মাসুম, মামুন ও জয়নাল আবেদীনের সাথে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত ১ আগস্ট রাতে ফকির বাড়ি এলাকায় একটি মুদি দোকানে অবস্থান করছিল মাসুম, মামুন ও জয়নালসহ আরো কয়েকজন। এসময় পূর্ব শত্রুতার জেরে বিজয়, সবজু, ইকবাল ও সানি দলবলসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। এতে পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় ছাত্রদল নেতা মাসুম। এসময় বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের এলোপাতাড়ি কুপে গুরুত্বর আহত হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ আরো ১০ জন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে আহত মাসুমকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতা মাসুমের বোনজামাই হাসান মো. মহসিন বাদি হয়ে গত ৪ আগস্ট পলাশ থানায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন অনাকাঙ্খিত কোন ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যপারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।



