Logo
Logo
×

সারাদেশ

সালথায় পাট শুকানোর বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ,আহত ১০ জন

Icon

সাজ্জাদ হোসেন, সালথা

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

সালথায় পাট শুকানোর বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ,আহত ১০ জন

পাট শুকানোর বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ,আহত ১০ জন

ফরিদপুরের সালথায় পাট শুকানোর জন্য বাঁশের আড়া বাঁধানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুগিকান্দা গ্রামের বশির মাতুব্বরের বাড়ির পাশে একটি মসজিদের সামনে পাট শুকানোর জন্য বাঁশ দিয়ে আড়া বাঁধেন হবি মেম্বারের সমর্থক হাবিবুর রহমান। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন মুসল্লি বাঁশের ওই আড়া খুলে দেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবি মাতুব্বরের সমর্থকরা বশির মাতুব্বরকে আড়া খুলে ফেলার জন্য দায়ী করেন। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে বশির মাতুব্বরের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাট শুকানোর একটি বাঁশের আড়া খোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হলেও মুহূর্তেই তা দুই পক্ষের সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হবি মেম্বারের সমর্থক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পাটের আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এর বাইরে আমি কিছু জানি না।’ তবে তার সমর্থকদের আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার সমর্থকদের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন।’

বশির মাতুব্বর বলেন, ‘বাঁশের আড়া খোলার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও আমাকে দায়ী করে আমার বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় আমার স্ত্রীসহ কয়েকজন আহত হন। বর্তমানে আমার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।’


সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’


তিনি আরও বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন