Logo
Logo
×

সারাদেশ

সাগরে মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা

Icon

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ এএম

সাগরে মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা

চট্টগ্রামে ভরা মৌসুমেও জেলেদের জালে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ছে না। ইলিশের অভাবে খাঁখাঁ করছে আড়তগুলো। যেন সাগরে চলছে ইলিশের আকাল। এতে চট্টগ্রামের জেলেরা হতাশ। অনেকে যে খরচ করে সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেন, সেই টাকাই তুলতে পারছেন না। নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক। অন্য বছর এই সময়ে চট্টগ্রামের আড়তগুলো ইলিশ মাছে ভরপুর থাকত। চট্টগ্রামের বাজারে ইলিশ নেই বললেই চলে। অল্প যা মিলছে তার দাম আকাশছোঁয়া।

টানা ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় সাগরে নামলেও অধিকাংশ নৌকা ফিরছে প্রায় খালি হাতে। কোথাও দুই-এক কেজি, কোথাও পাঁচ-ছয় কেজি ইলিশ মিললেও তা দিয়ে জ্বালানি, বরফ, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য খরচ উঠছে না। ফলে হতাশা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে। আগের তুলনায় হিসাব করলে শতকরা ১০ শতাংশ ইলিশ ধরা পড়ছে। ফলে দামও চড়া। তীরে মাছবোঝাই ট্রলার ভিড়লেই হামলে পড়েন মাছ ব্যবসায়ীরা। জেলেরা গভীর সমুদ্র থেকে মাছ শিকার করে নিয়ে এসে এখানে বিকিকিনি হয়।

অবশেষে দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর জেলেদের উপস্থিতিতে সাগরে ফিরবে প্রাণ। জেলেরা আশা করেছিল আবারও সরগরম হয়ে উঠবে চট্টগ্রামের জেলে পল্লি, মাছবাজার ও মৎস্যঘাট। কিন্তু আশানুরূপ ইলিশ ধরা না পড়াতে জেলেদের কপালে হাত। শুক্রবার নগরীর আকমল আলী ঘাট, ফিশারি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আড়তগুলো খাঁখাঁ করছে। সাগরে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে জেলেরা মন খারাপ করে বসে আছেন। ফিশারিঘাটে জেলেরা জাল গুটিয়ে অলস সময় পার করছেন। আবার কেউ কেউ জাল-দড়ি পারিষ্কার করছেন। অন্যান্য বছর এসময়ে সাগরে থাকত ট্রলারের মিছিল। জাল ফেললেই মিলত ইলিশ। জেলেদের মুখে থাকত আনন্দের হাসি।

কয়েক জেলে জানান, ইলিশ শিকারের লক্ষ্যে ধারদেনা করে জাল-দড়ি বানিয়েছিলেন অনেকে। পরিকল্পনা ছিল মাছ বিক্রি করে ঋণ শোধ করবেন। কিন্তু আশানুরূপ মাছ না পাওয়াতে তাদের এবার খরচের টাকাই উঠছে না। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে পড়েছেন তারা। নগরীর রাসমনি ঘাটের আড়তদার রফিকুল ইসলাম জানান, আমার ১২টি মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে মনে করেছিলাম আগের মতো ইলিশ ধরা পড়বে। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। ইলিশ নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছর অভিযান শেষে অনেক মাছ ধরা পড়েছে এবং আড়তে এসেছে। কিন্তু এবার তার দশ ভাগের এক ভাগও উঠছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছি। কীভাবে পরিবার চালাব বুঝতে পারছি না। মহাজনের দাদনের টাকাইবা শোধ করব কিভাবে?

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন