শেরপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ মামলা, আ.লীগ-কৃষক লীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
বগুড়ার শেরপুরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল থেকে শনিবার (১ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শেরপুর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম রানজু (৬০), শেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু আরফান (৬০) এবং কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আব্দুল বাছেদ (৬৪)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে শেরপুর পৌরসভার খেজুরতলা এলাকায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধরের পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শেরপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া শফিকুল ইসলাম রানজু মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। অপর দুইজন—আবু আরফান ও আব্দুল বাছেদ তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত হন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে বারোদুয়ারি পাড়া থেকে শফিকুল ইসলাম রানজু, টাউন কলোনি এলাকা থেকে আবু আরফান এবং টুনিপাড়া এলাকা থেকে আব্দুল বাছেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তার তিন আসামিকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



