Logo
Logo
×

সারাদেশ

সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিএনপির একাধিক প্রার্থী, নিরব জামায়াত

Icon

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম

সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিএনপির একাধিক  প্রার্থী, নিরব জামায়াত

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোহরগঞ্জ উপজেলার ৫ নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন এর রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন মেরুকরণ। মাঠের লড়াইয়ে সরকারী দল বিএনপির পক্ষ থেকে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যানার-পোস্টার টাঙিয়ে এবং গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ আবার ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় পছন্দের প্রার্থীদের চেয়ারম্যান প্রার্থী চেয়ে রিতিমতো পোস্ট দিচ্ছেন, অনেকে নিজেকে প্রার্থী বলে জানান দিচ্ছেন।তবে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে  অন্যতম প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর। বিএনপির নেতাকর্মীদের উল্লাস ও মনোনয়নের দৌড়ঝাঁপের মাঝে জামায়াত পুরোপুরি নীরব ভূমিকা পালন করছে।

স্থানীয়  পর্যায়ের দলীয় সূত্রগুলো বলছে, একই আসনে বিএনপির একাধিক হেভিওয়েট এবং উদীয়মান নেতার সক্রিয় প্রচারণায় তৃণমূলের রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে। কে পাচ্ছেন  দলীয় গ্রীন সিগন্যাল তা নিয়ে যেমন চলছে জল্পনা-কল্পনা, তেমনি প্রার্থী আধিক্যের কারণে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

তবে এবারের  প্রেক্ষাপটে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর হিসাব-নিকাশ ও চিন্তার কারণ বদলে দিয়েছে আদালত। ভোটের মাঠের কৌশলগত লড়াই নিয়ে দুশ্চিন্তা না থাকলেও, প্রার্থীদের নতুন করে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে হাইকোর্টের একটি সাম্প্রতিক রুল।

উচ্চ আদালতের এই রুলের পর স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকে মাঠে জনপ্রিয় কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক নন—এমন অনেক অভিজ্ঞ স্থানীয় নেতা এখন আইনি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। যদি চূড়ান্ত আদেশে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়, তবে তৃণমূলের অনেক প্রভাবশালী প্রার্থীই নির্বাচনী দৌড় থেকে ছিটকে পড়তে পারেন।

অন্যদিকে, সুশীল সমাজ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ আদালতের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে স্থানীয় উন্নয়ন, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং বিচারিক কাজ পরিচালনায় গতি ও স্বচ্ছতা আসবে।

এ দিকে জামায়াত কেনো প্রকাশ্যে শোডাউন বা বড় ধরনের একক প্রার্থীর প্রচারণা না চালিয়ে নীরবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে? এমন প্রশ্ন সকলের মনে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াত নেতা জানিয়েছেন নির্বাচন পদ্ধতি, জোটগত সমীকরণ এবং চূড়ান্ত রাজনৈতিক পরিবেশ পর্যালোচনা করেই তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে মনে করছেন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয়দের  মতে, জামায়াতের এই নীরব ভূমিকা কেবল তাদের অভ্যন্তরীণ কোনো কৌশলের অংশ হতে পারে। তারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা যেখানে আগ বাড়িয়ে মাঠ দখলে ব্যস্ত, জামায়াত সেখানে তাদের সংগঠনিক ভিত মজবুত রেখে "অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করছেন।

সব মিলিয়ে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর মাঠে উপস্থিতি এবং জামায়াতের এই রহস্যজনক নীরবতা আগামী দিনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন কোনো চমক নিয়ে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে ৫ নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন এর জনগণ।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন