ঢাকা থেকে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন পাঁচ যাত্রী। তাদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, বাকি দুজন এখনও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, ঈদের দিন দিবাগত রাত একটার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে ১৪জন একটি ট্রাকে ওঠেন। পথিমধ্যে ট্রাকের ভেতরে ছদ্মবেশে থাকা অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা খেজুর খাইয়ে পাঁচ যাত্রীকে অচেতন করে সবকিছু লুট করে পালিয়ে যায়। ভোরে পাঁচজনকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করালে সন্ধ্যার মধ্যে তাঁদের মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে উঠলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাকি দুজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ট্রাকচালক আবির জানান, ঈদের দিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে ১৩–১৪ জন যাত্রী তাঁর ট্রাকে ওঠেন। তাদের গন্তব্য ছিল গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত। জনপ্রতি ভাড়া ছিল ২৫০ টাকা। পথে কড্ডার মোড়ে চারজন যাত্রী নেমে ভাড়া পরিশোধ করে চলে যান। বাকি যাত্রীদের চান্দাইকোনা এলাকায় নামার কথা থাকলেও কেউ না নামায় তাঁর সন্দেহ হয়। পরে তিনি যাত্রীদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগীদের একজন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আরিফুল ইসলাম বলেন, তিনি ঢাকায় একটি সেলুনে কাজ করেন। ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন। তার পকেটে প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিল। অজ্ঞান করে তাঁর সবকিছু নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বগুড়ার ছিলিমপুর মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুবেদার আলী জানান, অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে পাঁচজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে তিনজন বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি দুজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।



