বাংলাদেশের যেসব এলাকায় সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, রাজশাহী, শরিয়তপুর ও পিরোজপুরের শতাধিক গ্রামের হাজারো মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।
সাতক্ষীরার প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা এলাকায় তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন।
কুশখালী বাউকোলা মসজিদে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মওলানা মহব্বত আলী। জামাতে ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভোঁদড়া, ঘোনা, ভাড়খালী, মিরগিডাঙ্গা ও পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সকাল আটটায় পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদের বারান্দায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন- হাফেজ মো. সাজিরুল ইসলাম। নামাজে মোট ২৩ জন মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হযরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা ১৫০ বছর ধরে প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।
পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার আজ শুক্রবার সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজী ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়িতে, জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদে এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এ ৬ গ্রামের প্রায় ৭ শতাধিক, জেলার কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ পরিবার, জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫ পরিবার, জেলার সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০ পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরের আগের দিনই ঈদ উদযাপন করছেন।
কাউখালি উপজেলার শিয়ালকাঠি মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকাল ৮টায় আমাদের মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিভিন্ন গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করি।
নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমিন জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা শুরেশ্বর পীরের অনুসারী ৩৫টি পরিবার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ বছর ধরে প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা পালন করে আসছি।



