রংধনু গ্রুপের ঈদ উপহার পেয়ে খুশি রূপগঞ্জের ১৫ হাজার পরিবার
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার অসহায় ও দরিদ্রদের সহযোগিতা করতে আবারও মহৎ উদ্যোগ নিয়েছেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম।
রংধনু গ্রুপের সহায়তায় শাড়ি লুঙ্গি, চাল ডাল, তেল, চিনি, আলু পেঁয়াজ সেমাইসহ খাদ্য সামগ্রী উপহার পেয়েছেন ১৫ হাজার পরিবার। ঈদ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী পেয়ে খুশি পরিবারগুলো।
সকাল থেকেই কায়েতপাড়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে দরিদ্র ও অসহায় নারী-পুরুষ ও বৃদ্ধরা দলে দলে জমায়েত হন ঈদ উপহার নেওয়ার জন্য। সময় তাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দেয়। রংধনু গ্রুপের সামগ্রী উপহার পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠেন।
সোমবার দুপুর থেকে রূপগঞ্জ উপজেলায় এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। এদিন বিকালে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া এলাকায় অবস্থিত রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের বাড়িতে প্রথম ধাপের ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন, রংধনু গ্রুপের এমডি কাউসার আহমেদ অপু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু হাসান আলেক, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড সদস্য জসীম উদ্দিনসহ আরো অনেকে।
রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানের দেয়া এই উপহার পেয়েছে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দরিদ্র ও অসহায় পরিবার। এরপর ধাপে ধাপে উপজেলার ভুলতা, গোলাকান্দাইল, রূপগঞ্জ, মুড়াপাড়া, দাউদপুর, ভোলাব ইউনিয়ন ও কাঞ্চন এবং তারাব পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারদের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।
উপহারের খাদ্যসামগ্রী পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠেন অসহায় ও দরিদ্র মানুষেরা। তারা রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ তার পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য জসীম উদ্দীন বলেন, ‘রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম গরিব ও অসহায় মানুষের বন্ধু। রূপগঞ্জবাসী তাকে গরিবের বন্ধু হিসেবে চেনেন। ঈদ, পূজাসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সব ধর্মের মানুষকে তিনি ভালোবাসেন। করোনা মহামারির সময় থেকে শুরু করে নানা দুর্যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে রংধনু গ্রুপের পক্ষ থেকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে আলহাজ রফিকুল ইসলাম আর্থিক, বস্ত্র এবং খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।’
খাদ্যসামগ্রী উপহার পাওয়া রিতা রানী বেগম বলেন, ‘এ পর্যন্ত অনেকবার রফিক সাহেবের কাছ থেকে খাদ্যসামগ্রীসহ অনেক সুযোগ-সুবিধা পাইছি। ওনার মন ভালা। ভগমান (ঈশ্বর) উনারে আরও দিবে।’ ওনার ভালা করব।
আম্বর আলী নামের এক বৃদ্ধ বলেন, ‘রফিক সাহেবের তুলনা হয় না। তিনি গরিবের বন্ধু। সব সময় আমাদের মতো নিরীহ ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন। কেউ সমস্যায় পড়লে তার সমাধান করে দেন।’ এক বছর ধরে তাকে না পাইয়া আমরা হতাশায় ভুগতেছি।
মুনতাসির রহমান নামের এক প্রতিবন্ধী বলেন, ‘যখন খাবারের সমস্যা হয় তখন রফিক সাহেবের কাছে গেলে খাবারের ব্যবস্থা কইরা দেন। তিনি সপ্তায় (সপ্তাহে) তিন চার দিন এলাকায় আইসা আমাদের মতন অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন। তার কোনো তুলনা হয় না।’ অহন তারে না দেইখা আমরা ভালা নাই।
আলী আকবর নামে আরেকজন বলেন, আমরা চাই রফিক সাহেব আমাদের পাশে সব সময় থাকবে।



